লক্ষ্মীপুরে একটি হাসপাতালের কক্ষে ডেকে নিয়ে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে (১১) বলাৎকারের অভিযোগে রিমন হোসেন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রিমন জেলা শহরের আল মানার হসপিটালের ওয়ার্ডবয়।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে আল-মানার হাসপাতালে ঘটনাটি ঘটে। পরে রাতে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে।
রিমন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড মজুপুর এলাকার মো. সেলিমের ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরের মা বলেন, হাসপাতালের পাশেই আমাদের বাড়ি। আমার ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। সে নামাজ পড়তে বের হয়। আবার আল-মানার হাসপাতালে গিয়ে কখনো কখনো টেলিভিশন দেখে। সেখান থেকে ওয়ার্ডবয় রিমন তাকে একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করে। আমার ছেলে চিৎকার চেচামেচিও করেছে। পরে সে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ঘটনাটি তার বন্ধুদের বলে।
তিনি আরও বলেন, আমি এ ঘটনায় মামলা করব। আমি রিমন নামের ওই ছেলেটির বিচার চাই। ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ঘটনা না ঘটাতে পারে, সেজন্য তার বিচার হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন।
পুলিশ পরিদর্শক ঝলক মোহন্ত বলেন, আল-মানার হসপিটালের ৩য় তলার একটি কক্ষে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয়কে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে আল-মানার হাসপাতালে ঘটনাটি ঘটে। পরে রাতে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে।
রিমন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড মজুপুর এলাকার মো. সেলিমের ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরের মা বলেন, হাসপাতালের পাশেই আমাদের বাড়ি। আমার ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। সে নামাজ পড়তে বের হয়। আবার আল-মানার হাসপাতালে গিয়ে কখনো কখনো টেলিভিশন দেখে। সেখান থেকে ওয়ার্ডবয় রিমন তাকে একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করে। আমার ছেলে চিৎকার চেচামেচিও করেছে। পরে সে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ঘটনাটি তার বন্ধুদের বলে।
তিনি আরও বলেন, আমি এ ঘটনায় মামলা করব। আমি রিমন নামের ওই ছেলেটির বিচার চাই। ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ঘটনা না ঘটাতে পারে, সেজন্য তার বিচার হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন।
পুলিশ পরিদর্শক ঝলক মোহন্ত বলেন, আল-মানার হসপিটালের ৩য় তলার একটি কক্ষে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয়কে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
অনলাইন ডেস্ক